ত্বকী হত্যায় শামীম ও তার পুত্রসহ ৭ জন: এসপিকে চিঠি

নিয়েছে। এতদিন নিহতের বাবা রফিউর রাব্বি ও সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীসহ অন্যরা শামীম ওসমান ও তার ছেলেকে দায়ী করে বক্তব্য দিলেও এখন দেওয়া হয়েছে লিখিত চিঠি।

সোমবার রাতে রফিউর রাব্বি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে ওই লিখিত চিঠিটি জমা দেন।

অভিযুক্ত ৭ জন হলেন- শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, অয়নের দুই বন্ধু সালেহ রহমান সীমান্ত (সম্প্রতি জাতীয় পার্টি বহিষ্কৃত নেতা হাজী রিপনের ছেলে) ও রিফাত (ইতোমধ্যে আটক), জেলা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জহিরুল ইসলাম পারভেজ, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাজীব দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন।

এছাড়া অজ্ঞাত আরো ৮-১০ জনের কথা উল্লেখ করা রয়েছে।

রফিউর রাব্বি বলেন, “লিখিত অভিযোগে আমি বলেছি ত্বকী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ ৭ জনসহ অজ্ঞাত আরো ৮-১০ জন জড়িত থাকতে পারে। তবে আমি মৌখিকভাবে পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি এরা যাতে দেশ ত্যাগ করতে না পারে সেজন্য পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের নজরদারিতে রাখতে।”

লিখিত অভিযোগে রফিউর রাব্বি আরও উল্লেখ করেন, গত ৬ মার্চ তার ছেলে ত্বকী শায়েস্তা খান সড়কের বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। এ ব্যাপারে ওই রাতেই তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় জিডি করেন। ৮ র্মাচ সকাল পৌনে ১০টায় শহরের চারারগোপের শীতলক্ষ্যা নদী সংলগ্ন খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ত্বকীকে নৃশংসভাবে নির্যাতন চালিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে ৮ মার্চ রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করি। লাশ উদ্ধারের পর শারীরিক ও মানকিভাবে বিপর্যস্ত থাকায় এজাহারে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। বর্তমানে আমি কিছুটা মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে সামগ্রিক বিবেচনায় সন্দেহ পোষণ করছি যে, আমার ছেলে তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীকে নিম্ন লিখিত আসামিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নৃশংস ও নির্মম নির্যাতন এবং শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। উক্ত কিলিং মিশনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে তারা নিষ্ঠুরভাবে খুন করেছে।
আসামিদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০জন আসামি ছিল। তাই বিষয়টি অবগত করলাম।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম সত্যতা স্বীকার করে ব বলেন, “রফিউর রাব্বির দেওয়া একটি অবহিতকরণ চিঠি আমি পেয়েছি। জেলা পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, অভিযুক্ত ৭ জনের একজন রিফাত জেলা গোয়েন্দা হেফাজতে রয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Share