পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তরুণরাই আগামির ভবিষ্যৎ। ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ’৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান ও ’৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে এই তরুণ সমাজই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তাই তাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা প্রয়োজন। তারা আরও বলেন, স্বাধীনতা হলো একটি জাতির আদর্শ ও ন্যায়ের পথ। এই আদর্শ থেকে সরে গেলে জাতি দূর্ভোগে পড়বে। দিবসে সকল মহান মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়, যারা এনেছিল স্বাধীনতার লাল সূর্য। যাদের হৃদয়ে ছিল হাজারও স্বপ্ন যে, এদেশ একদিন দুর্নীতিমুক্ত হবে, শোষণমুক্ত হবে, মানুষে মানুষে থাকবেনা কোন বিভেদ ও হানা-হানি।স্বাধীনতার ৪২ বছর পার হতে চল্লেও মানুষ তার দুর্নীতি নামক সেই রাহুগ্রাস থেকে এখনও মুক্ত হতে পারেনি। সাধারণ মানুষ হচ্ছে শোষিত ও বঞ্চিত। স্বাধীনতার আসল স্বপ্নগুলো এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই সনাক, লক্ষ্মীপুর মহান স্বাধীনতা দিবসে সকল শ্রেণির মানুষকে দুর্নীতিবিরোধী এই সামাজিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য উদাত্ত আহবান জনান। তারা আরও বলেন সনাকের এই শিামূলক কার্যক্রম ভাবষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সনাক সভাপতি প্রফেসর মাহবুব মোহাম্মদ আলী, সহ-সভাপতি প্রফেসর এ এন এম আব্দুল মান্নান ও বনশ্রী পাল চৌধুরী, সনাক সদস্য মোহাম্মদ আবুল মোবারক ভূঁইয়া, মাহ্ফুজুর রহমান, জান্নাতুল তাজেরীন,সাইফুল ইসলাম ভূঞা তপন, পারভীন হালিম, স্বজন সদস্য মো. নিজাম উদ্দিন, রনজিৎ কুমার পাল, চিনু রানী পাল,অভিভাবকবৃন্দ, বিজয়ী শিার্থীবৃন্দ, ইয়েস ও ইয়েস ফ্রেন্ডস সদস্যবৃন্দ এবং টিআইবি’র কর্মীবৃন্দ।